🚀 ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বা WEF-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে এক অভূতপূর্ব তথ্য। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, বিশ্ববাজারে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য তৈরির ক্ষেত্রে ভারত এখন এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে। চিন বা ভিয়েতনামের মতো প্রথাগত ম্যানুফ্যাকচারিং হাবগুলোকে টেক্কা দিয়ে ভারত যেভাবে এগিয়ে চলেছে, তা বিনিয়োগকারী মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
📱 ভারতের বর্তমান নীতি নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যার জেরে পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশে শিল্পায়নের এক নতুন জোয়ার এসেছে। শিল্পবান্ধব পরিবেশ এবং উন্নত পরিকাঠামো তৈরির ওপর জোর দিয়ে ভারত সরকার যেভাবে মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তা আজ বাস্তব রূপ পেয়েছে। বিদেশি কোম্পানিগুলো এখন আর শুধুমাত্র ভারতের বাজার নয়, বরং ভারতকে তাদের উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী।
📈 ইলেকট্রনিক্স হার্ডওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর এবং স্মার্টফোন তৈরির মতো ক্ষেত্রগুলোতে ভারত বিগত কয়েক বছরে অভাবনীয় উন্নতি করেছে। শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো নয়, বরং এখান থেকে পণ্য রপ্তানি করে বিদেশি মুদ্রা অর্জনের হারও বাড়ছে হু হু করে। টেক জায়ান্ট অ্যাপল থেকে শুরু করে স্যামসাংয়ের মতো বড় সংস্থাগুলো তাদের কারখানা সম্প্রসারণের জন্য ভারতকে এক নম্বর ডেস্টিনেশন হিসেবে দেখছে।
💡 এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারি উদ্যোগে চালু হওয়া প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ বা পিএলআই স্কিম। ভারত সরকার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য যে ধরণের আর্থিক সহায়তা এবং ট্যাক্স ছাড়ের ব্যবস্থা করেছে, তা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনা এবং ডিজিটাল অবকাঠামোর আধুনিকীকরণের ফলে সাপ্লাই চেইন এখন অনেক বেশি কার্যকর ও গতিশীল হয়েছে।
🏭 পশ্চিমবঙ্গের শিল্প মানচিত্রও এখন বদলে যাচ্ছে দ্রুত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, প্রযুক্তি নির্ভর ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট স্থাপনে জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য নানা ধরনের ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে, যা আগামিদিনে ভারতকে গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স হাব হিসেবে আরও শক্তিশালী করবে। স্থানীয় তরুণ প্রজন্ম এখন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।
🌍 সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে, তা এই শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমেই পূর্ণ হবে। ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে ভারতের এই উত্থান শুধু দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকেই শক্তিশালী করছে না, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব ও প্রতিপত্তি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি সত্যিই আমাদের জন্য এক গর্বের সময়।


মতামত দিন