SCO শীর্ষ সম্মেলনে শি, মোদি এবং পুতিন: আলোচ্যসূচিতে কী আছে? 🌍

কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বিশ্ব নেতারা একটি বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছেন।

SCO শীর্ষ সম্মেলনে শি, মোদি এবং পুতিন: আলোচ্যসূচিতে কী আছে? 🌍

🤝 কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) এর দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে, যেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ এক ডজনেরও বেশি রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নিচ্ছেন। এই সম্মেলনটি SCO-এর ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য হলো একটি বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থা (multipolar world order) এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

🗓️ এই শীর্ষ সম্মেলনটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মস্কোর ইউক্রেন আক্রমণের সাড়ে চার বছর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। SCO-কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবের প্রতি ভারসাম্য রক্ষাকারী একটি শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

🗣️ রাশিয়ান এবং চীনা নেতারা এই প্ল্যাটফর্মটিকে একটি বহুমুখী বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করতে এবং পশ্চিমের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ ফ্রন্ট (united front) উপস্থাপন করতে ব্যবহার করেছেন। রাশিয়ার অর্থনীতি ইউক্রেন আক্রমণের কারণে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে চীনের উপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

🤝 শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হয়েছে, যেখানে শি পুতিনকে বলেছেন যে বেইজিং এবং মস্কোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক "আরও দৃঢ়" হয়েছে। পুতিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথেও দেখা করেছেন, যেখানে মোদি বলেছেন যে নয়াদিল্লি ইউক্রেনের সংঘাতের অবসানের জন্য কাজ করতে প্রস্তুত।

🌐 SCO, যা ২০০১ সালে চীন, রাশিয়া এবং চারটি মধ্য এশীয় রাষ্ট্র দ্বারা একটি নিরাপত্তা ফোরাম (security forum) হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এখন এতে ১০টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে: রাশিয়া, চীন, ভারত, ইরান, পাকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। এটি বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৪৩% এবং বৈশ্বিক GDP-এর ২৩% প্রতিনিধিত্ব করে।

🇮🇳 ভারতের জন্য, এই শীর্ষ সম্মেলনটি কৌশলগত সংকেত (strategic signaling) এবং চীনের সাথে সীমান্ত উত্তেজনা নিরসনের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করার একটি সুযোগ। ভারত মধ্য এশিয়ায় অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থও অনুসরণ করছে।