📰 পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (TET) আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই পদক্ষেপটি প্রায় ৯০,০০০ শিক্ষককে প্রভাবিত করবে যারা ২০০৯ সালে কার্যকর হওয়া বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক শিশু অধিকার আইন (RTE Act) কার্যকর হওয়ার আগে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
⚖️ এই পদক্ষেপটি সুপ্রিম কোর্টের ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালের একটি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে। ওই রায়ে বলা হয়েছিল যে, RTE আইন কার্যকর হওয়ার আগে নিযুক্ত শিক্ষকদের TET উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। পরে, ২৯ মে, ২০২৬ সালের একটি পর্যালোচনা আদেশে, সুপ্রিম কোর্ট এই যোগ্যতা অর্জনের জন্য দুই বছরের পরিবর্তে তিন বছরের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট, ২০২৮ পর্যন্ত করেছে। আদালত আরও স্পষ্ট করেছে যে এই সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না।
🗓️ আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে যে TET পরীক্ষা নিয়মিতভাবে, বছরে দুবার, প্রায় ছয় মাসের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত, যাতে যোগ্য শিক্ষকদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ থাকে।
📝 পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দপ্তর, বিশেষ সচিব চন্দ্রনাথ রায় চৌধুরীর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে, পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় স্কুল সার্ভিস কমিশন (WBSSC) এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে এই পরীক্ষা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। পরীক্ষার তারিখ এবং বিস্তারিত সময়সূচী এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
✅ তবে, যে সকল শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর বা তার কম বাকি আছে, তারা এই TET পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। যদিও আদালত স্পষ্ট করেছে যে, পদোন্নতির ক্ষেত্রে এই শিক্ষকদের TET যোগ্যতা প্রয়োজন হবে।
📊 প্রায় ৯০,০০০ শিক্ষক, যারা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াচ্ছেন, তাদের এই পরীক্ষায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সূত্র জানিয়েছে।
🔄 এই নির্দেশিকাগুলি বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকার এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।



