🌀 ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলার কিরাণ্ডুলে আকাশ রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে, যার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে এই খবর প্রকাশ করেছে।
🌊 অর্ণব ছিল ২০২৬ সালের উত্তর ভারত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় মরসুমের অষ্টম নিম্নচাপ এবং প্রথম ঘূর্ণিঝড়, যা দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে আঘাত হানে। এটি ২০১৪ সালের পর বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে শক্তিশালী বর্ষা-পরবর্তী ঘূর্ণিঝড় ছিল।
🗓️ ২৪ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের পূর্বাঞ্চলে একটি নিম্নচাপ এলাকা হিসেবে এর উৎপত্তি হয়। ২৬ অক্টোবর এটি একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় এবং বাংলাদেশের দেওয়া নাম 'অর্ণব' লাভ করে। এটি দ্রুত একটি অত্যন্ত তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়।
🌪️ ২৮ অক্টোবর অর্ণব অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনম জেলার মধ্যে স্থলভাগে আছড়ে পড়ে। ২৯ অক্টোবর এটি ছত্তিশগড়ের উপর দিয়ে একটি নিম্নচাপে দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে এর প্রভাব অব্যাহত ছিল।
🌧️ ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (IMD) ছত্তিশগড়ের বিভিন্ন জেলার জন্য ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল। স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী গজেন্দ্র যাদব বস্তার, বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, কোণ্ডাগাঁও এবং সুকমা সহ ১২টি ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় দুই দিনের স্কুল ছুটি ঘোষণা করেন। রায়পুর জেলা কালেক্টর গৌরব সিং ২৯ অক্টোবর স্কুল ও কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছিলেন।
🚧 ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোঠাবালসা-কিরাণ্ডুল রেললাইন মাটি ক্ষয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে শত শত গাছ উপড়ে পড়েছে, কৃষি ফসল ডুবে গেছে, আবাসিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে এবং মাছ ধরার সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
🏠 অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে, যেখানে ৩,২৫,০০০ হেক্টরের বেশি ফসল ডুবে গেছে, ১৮০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নাগাবলি, বংশধারা এবং চেইয়েরু নদী উপচে পড়ে শ্রীকাকুলাম জেলায় বন্যা সৃষ্টি করে। ওড়িশার গঞ্জাম জেলার প্রায় ৩০০টি গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।



