নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান গ্রেফতার, ১৪ দিনের জেল হেফাজত 🚨

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে পুরনো হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই গ্রেফতারি হয়, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান গ্রেফতার, ১৪ দিনের জেল হেফাজত 🚨

📰 নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক নাটকীয়তা দেখা গেল, যখন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) হলদিয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

⚖️ মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের তিনটি পুরনো হত্যা মামলা সহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গত ১৯ বছর ধরে পলাতক ছিলেন এবং এখন তাকে খুঁজে পাওয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

🤝 এই গ্রেফতারি এমন এক সময়ে ঘটল যখন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে তার দল নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তাদের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রত্যাহার করার পর INDIA জোটের প্রতি সংহতি জানিয়ে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানায়।

🗣️ এই গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস। তারা অভিযোগ করেছেন যে এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী দলকে লক্ষ্য করে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স (আগে টুইটার) এ লিখেছেন, "সময়টি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে। এটি বিজেপির স্বাভাবিক সূত্র: একটি পুরনো মামলা খুঁজে বের করা। কিন্তু কেন এখন, আমরা কংগ্রেসকে সমর্থন করার ঘোষণা করার ঠিক পরেই?"

🗳️ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং কেসি ভেনুগোপালও এই গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা বলেছেন যে এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করছে এবং গণতন্ত্রকে "ভেন্টিলেটরে" রেখেছে।

🗓️ আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মিলন প্রধানকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে, যার ফলে তিনি নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।