🗣️ পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন যে, রাজ্য সরকার চুক্তিভিত্তিক পঞ্চায়েত কর্মীদের ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রাখার কথা বিবেচনা করছে। এর পাশাপাশি, একটি প্রস্তাব অর্থ দপ্তরে (Finance Department) পাঠানো হয়েছে যেখানে উন্নত পারিশ্রমিক এবং চিকিৎসা সুবিধার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
🗓️ রবিবার বারাসাত পৌরসভার বিদ্যাসাগর হলে গ্রাম রোজগার সহায়কদের (Gram Rojgar Sahayaks) একটি রাজ্য-স্তরের সাধারণ সভায় ঘোষ এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই প্রস্তাবটি এমন কর্মীদের জন্য যারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েত-সম্পর্কিত কাজে নিযুক্ত আছেন। বিভাগীয় সচিব, কমিশনার এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
💬 ঘোষ বলেন, "আপনারা ১০-১৫ বছর ধরে কাজ করছেন। আপনাদের যথাযথ সম্মান, পারিশ্রমিক এবং চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং অন্তত ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য কাজ চলছে।" এই তথ্য সংবাদ প্রতিদিন – বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী।
👥 মন্ত্রী আরও জানান যে, পঞ্চায়েত বিভাগের বিভিন্ন স্তরে প্রায় এক লক্ষ চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিযুক্ত আছেন। তবে, প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত চাকরির শর্তাবলী, যোগ্যতার মানদণ্ড, চিকিৎসা কভারেজের প্রকৃতি বা অর্থ দপ্তরের (Finance Department) অনুমোদন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই বিবৃতিটি একটি নীতিগত প্রস্তাবের ইঙ্গিত দেয় যা বর্তমানে বিবেচনাধীন, চাকরির শর্তে কোনো ঘোষিত পরিবর্তন নয়।
🎯 ঘোষ বিভাগীয় কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত বিভাগের ১৪,২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় করার ক্ষমতা রয়েছে এবং আগামী এপ্রিলের মধ্যে ৩০ কোটি কর্মদিবস (person-days) তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
📈 বর্তমানে, বিভাগটি প্রতিদিন এক লক্ষের বেশি কর্মদিবস (person-days) তৈরি করছে, যেখানে অক্টোবরের শেষ নাগাদ পাঁচ লক্ষ এবং নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ১৫ লক্ষ কর্মদিবস (person-days) তৈরির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
🏠 মন্ত্রী জানান, আবাস প্লাস (Awas Plus) প্রকল্পের অধীনে ৫৪.৫ লক্ষ বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ১২,৫০০ অযোগ্য সুবিধাভোগীর কাছ থেকে তহবিল পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াও চলছে।
🐘 মন্ত্রী জঙ্গলমহলে (Junglemahal) হাতির চলাচল রোধে প্রস্তাবিত "হাটিনালার" (Hatinala) প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, পুকুর পুনরুদ্ধারের জন্য বরাদ্দকৃত তহবিলের অপব্যবহার হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে। দীর্ঘদিনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য কাজের সুযোগ বাড়ানোর এই প্রস্তাব এখন অর্থ দপ্তরের (Finance Department) বিবেচনা এবং পরবর্তী সরকারি আদেশের উপর নির্ভরশীল। কর্মসংস্থান, পারিশ্রমিক এবং চিকিৎসা সুবিধার জন্য কোনো বাস্তবায়নের তারিখ বা চূড়ান্ত কাঠামো প্রতিবেদনে ঘোষণা করা হয়নি।



