মালদহ কাণ্ডের মূল চক্রী এবার পুলিশের জালে, বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার কুখ্যাত অপরাধী ✈️

🚨 রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যখন চারিদিকে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে মালদহ জেলার কালিয়াচক কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পেল...

মালদহ কাণ্ডের মূল চক্রী এবার পুলিশের জালে, বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার কুখ্যাত অপরাধী ✈️

🚨 রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যখন চারিদিকে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে মালদহ জেলার কালিয়াচক কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য পেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ থাকা মামলার মূল চক্রীকে অবশেষে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে পাকড়াও করল তদন্তকারী দল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ির এই ব্যস্ততম বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

🕵️ কালিয়াচকের ঘটনায় ওই ব্যক্তির সরাসরি যোগ থাকার জোরালো প্রমাণ হাতে আসার পর থেকেই পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। জানা গিয়েছে, অপরাধ সংগঠনের পরপরই সে রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে আত্মগোপন করেছিল এবং উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে গা ঢাকা দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তার গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছিল রাজ্য পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা শাখা।

🛫 গতকাল বিকেলে ওই ব্যক্তি বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে জানা যায়। সাদা পোশাকে থাকা পুলিশ বাহিনী আগে থেকেই বিমানবন্দরের টার্মিনালে ওত পেতে ছিল। বিমানে ওঠার ঠিক আগ মুহূর্তে তাকে চিহ্নিত করে পুলিশ ঘিরে ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত কোনো সুযোগ না দিয়েই তাকে আটক করা হয়।

⚖️ ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালদহে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কালিয়াচকের ঘটনার নেপথ্যে থাকা বড় কোনো ষড়যন্ত্রের জাল এই ব্যক্তির গ্রেফতারের মাধ্যমেই উন্মোচিত হতে পারে। সে অতীতে আর কোন কোন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খতিয়ে দেখতে আজই তাকে আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

🔍 এই গ্রেফতারিতে স্থানীয় বাসিন্দারা কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। গত কয়েক মাসে মালদহের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। পুলিশের এই সাফল্যকে অনেকে রাজ্য পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। আগামী দিনে এই মামলার তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

⛓️ বর্তমানে অভিযুক্তকে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে মালদহ পুলিশের হাতে হস্তান্তরের পর দফায় দফায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পুলিশের দাবি, অপরাধী যতই চতুর হোক না কেন, দীর্ঘসূত্রতার পরেও বিচারের কাঠগড়ায় তাকে দাঁড় করাতেই হতো। এখন দেখার বিষয়, জেরা শেষে সে আর কার কার নাম প্রকাশ্যে আনে।

মতামত দিন