⚖️ সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছে যে পেশাগত কোর্সে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের জন্য মধ্যবর্তী সময়ে ফি বৃদ্ধি করা যাবে না, যদি না কোনও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়। আদালত এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছে যে, ছাত্রছাত্রী এবং তাদের পরিবারকে কোর্সের শুরুতেই মোট আর্থিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।
👨👩👧👦 এই সিদ্ধান্ত পেশাগত শিক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের আর্থিক নিশ্চয়তা এবং স্বচ্ছতা প্রদানের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই পেশাগত শিক্ষার জন্য তাদের জীবনের সঞ্চয় উৎসর্গ করেন বা শিক্ষা ঋণ গ্রহণ করেন।
🏛️ আদালত আরও জোর দিয়েছে যে, ভর্তি প্রক্রিয়ার আগেই নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির দ্বারা সময়মতো ফি নির্ধারণ করা উচিত, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই রায়ের ফলে, ছাত্রছাত্রীরা তাদের কোর্সের সময়কালে অপ্রত্যাশিত আর্থিক চাপের সম্মুখীন হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
⚖️ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পি এস নরসিমহা এবং বিচারপতি আলোক আরাধে-র বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছে। আদালত মনে করে যে, পেশাগত কোর্সের ফি-এর ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্টতা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
📈 এই রায়ের ফলে, বেসরকারি স্ব-অর্থায়নকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য মধ্যবর্তী সময়ে ফি বৃদ্ধি করার সুযোগ সীমিত হয়ে গেল। তবে, আদালত এও বলেছে যে, যদি কোনও অপ্রত্যাশিত ব্যয় বৃদ্ধি পায়, যেমন কোনও বিশেষ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বা আইনগত পরিবর্তন, তবে ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে ফি সংশোধনের সুযোগ থাকতে পারে।
📝 আদালত ফি নির্ধারণ কমিটিগুলির কার্যকারিতা এবং তাদের দক্ষতা ও সততার উপরও জোর দিয়েছে। এই কমিটিগুলির সময়মতো ফি নির্ধারণ করা উচিত, যাতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই সমস্ত তথ্য ছাত্রছাত্রীদের কাছে স্পষ্ট থাকে।
🎓 এই রায়টি মূলত ডঃ বিসি রয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্ব-অর্থায়নকারী পেশাগত প্রতিষ্ঠানগুলির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসেছে, যেখানে তারা মধ্যবর্তী সময়ে ফি বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল। কলকাতা হাইকোর্টের একটি পূর্ববর্তী রায়কে সুপ্রিম কোর্ট আংশিকভাবে বহাল রেখেছে।



