শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির প্রকল্পের বদলে যোগা সেন্টার অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার! 🧘‍♀️

শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দির প্রকল্পের পরিবর্তে একটি অত্যাধুনিক মহাকাল যোগা সেন্টার তৈরির অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। এই কেন্দ্রে একই সময়ে শত শত মানুষ যোগাভ্যাস করতে পারবেন।

শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির প্রকল্পের বদলে যোগা সেন্টার অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার! 🧘‍♀️

🏞️ শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় প্রস্তাবিত মহাকাল মন্দির, যার ভিত্তিপ্রস্তর এই বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্থাপন করেছিলেন, সেটি এখন মহাকাল যোগা সেন্টার দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে চলেছে। এই প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি মাটিগাড়ার কাছে উত্তরায়ণ টাউনশিপের (Uttarayan township) বিপরীতে একই জমিতে গড়ে উঠবে, যেখানে পূর্ববর্তী সরকার দেশের অন্যতম উচ্চতম মহাকাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল।

🗣️ অর্থ ও পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন, যিনি মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেন, বলেছেন, "সরকারি টাকায় এভাবে মন্দির নির্মাণ করা যায় না। মন্দিরের জায়গায় এখন একটি অত্যাধুনিক যোগা সেন্টার হবে। আয়ুষ (Ayush) বিভাগ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। আমরা পুজোর পর কাজ শুরু করার কথা ভাবছি।"

🗓️ রাজ্য মন্ত্রিসভা বুধবার এই যোগা সেন্টার প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে একই সময়ে কয়েকশ মানুষ যোগাভ্যাস করতে পারবেন।

🕉️ এই স্থানে ভগবান শিবের একটি বিশাল মূর্তি স্থাপনেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার সামনে যোগা সেশনের (yoga sessions) ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া, একটি শান্ত ও নির্মল পরিবেশ তৈরি করতে গাছপালা দিয়ে এলাকাটিকে সুসজ্জিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

🏥 প্রশাসনিক সূত্র অনুযায়ী, রাজ্য সরকার এই স্থানে আয়ুর্বেদিক (Ayurvedic) চিকিৎসার সুবিধা স্থাপনেরও কথা ভাবছে। এই মন্ত্রক উত্তরবঙ্গের সদর দফতর (North Bengal headquarters) কাছাকাছি স্থাপন করতে পারে, যা এই অঞ্চলের আয়ুর্বেদ-সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামোকে (healthcare infrastructure) প্রসারিত করবে।

💰 এই প্রকল্পের জন্য ১৮ একর জমি শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (Siliguri Jalpaiguri Development Authority - SJDA) মালিকানাধীন। মূল পরিকল্পনায় একটি মন্দির নির্মাণের কথা ছিল, যার প্রাথমিক আনুমানিক ব্যয় কয়েকশ কোটি টাকা ছিল।

🗳️ বিধানসভা নির্বাচনের আগে মন্দির প্রকল্পটি একটি রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছিল। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে এই ঘোষণা তৎকালীন সরকারের হিন্দু পরিচয় তুলে ধরার উদ্দেশ্যে ছিল কিনা, অন্যদিকে বিজেপি (BJP) মন্দির নির্মাণের জন্য সরকারি তহবিল ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) প্রবীণ নেতা গৌতম দেব বলেছেন যে একটি নতুন সরকার পূর্ববর্তী সরকারের শুরু করা প্রকল্পগুলি চালিয়ে যাবে কিনা, তা সিদ্ধান্ত নিতে স্বাধীন।

সেন্টার