🇮🇳 ভারতীয় এক্সপ্রেসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে, নির্বাচন কমিশনের (ECI) দুই সদস্য, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী, গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক নির্দেশের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।
🗳️ অভিযোগ অনুযায়ী, কমিশনের দুই সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অন্ধকারে রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা তাঁরা 'অননুমোদিত ও অবৈধ' বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে, নতুন ভোটার যুক্ত করা এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার মতো বিষয়গুলিতে তাঁদের আপত্তি ছিল।
✍️ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ভোটার ডেটাবেসের অ্যাক্সেস দিল্লিতে কেন্দ্রীভূত করার বিষয়েও তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা রাজ্য আধিকারিকদের এড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি, ভোটার সফটওয়্যারের অখণ্ডতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই দুই কমিশনার ক্যাবিনেট সচিবের দ্বারস্থও হয়েছিলেন।
⚖️ এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিরোধী দলগুলি নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি বলেছেন যে, এই ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে নির্বাচন কমিশনের উপর একটি 'অদৃশ্য হাত' কাজ করছে।
🏛️ অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, তাদের সমস্ত পদক্ষেপ আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী হয়েছে। কমিশন আরও বলেছে যে, অভ্যন্তরীণ নোট এবং পর্যবেক্ষণগুলি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র এবং এগুলি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
📈 এই বিতর্ক সত্ত্বেও, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে তারা তাদের কাজ আইন ও সাংবিধানিক ম্যান্ডেট অনুযায়ী করছে। তবে, এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।



