মেরুদণ্ডের আঘাত সত্ত্বেও সৈনিক হওয়ার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা: লেফটেন্যান্ট শিবানী ঝা 🎖️

মেরুদণ্ডের গুরুতর আঘাত এবং একাধিক বাধা সত্ত্বেও, লেফটেন্যান্ট শিবানী ঝা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে একজন অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছেন। তাঁর এই যাত্রা দৃঢ় সংকল্প এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মেরুদণ্ডের আঘাত সত্ত্বেও সৈনিক হওয়ার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা: লেফটেন্যান্ট শিবানী ঝা 🎖️

🌟 মেরুদণ্ডের আঘাত সত্ত্বেও লেফটেন্যান্ট শিবানী ঝা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছেন। তাঁর এই যাত্রা দৃঢ় সংকল্প এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

💪 শিবানী, যিনি পূর্বে একটি কর্পোরেট চাকরিতে নিযুক্ত ছিলেন, তাঁর জীবনে একাধিক বাধার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল মেরুদণ্ডে আঘাত, যা তাঁকে দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী করে রাখে। কিন্তু তিনি হার মানেননি।

👩‍⚕️ তাঁর মা, প্রতিভা ঝা, সবসময় বিশ্বাস করতেন যে তাঁর মেয়ে একদিন একজন অফিসার হবেন। মায়ের এই বিশ্বাস এবং অনুপ্রেরণা শিবানীকে কঠিন সময়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

✈️ শিবানী প্রথমে একটি প্রযুক্তিগত চাকরিতে ছিলেন, কিন্তু তাঁর স্বপ্ন ছিল সেনাবাহিনীতে যোগদান করা। তিনি নিজের চেষ্টায় SSB (Services Selection Board) পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেন এবং প্রথমবারেই স্ক্রিনিং পর্যায়ে উত্তীর্ণ হন।

🤕 ২০২৩ সালের মে মাসে, SSB পরীক্ষার সময় তিনি মেরুদণ্ডের D12 এবং L5 কশেরুকায় আঘাত পান। এই আঘাতের কারণে তাঁকে তিন মাস সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী থাকতে হয়। এই সময়ে তাঁর বাবা-মা তাঁর দেখাশোনা করেন।

🏃‍♀️ শারীরিক সুস্থতা সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আঘাতের পর তাঁর পক্ষে দৌড়ানোও কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু শিবানী হাল ছাড়েননি এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

💇‍♀️ তাঁর চূড়ান্ত SSB পরীক্ষার আগে, শিবানী তাঁর চুল ছোট করে কাটেন। এই ছোট পরিবর্তন তাঁকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল এবং তিনি নিজেকে একজন "ভিন্ন মানুষ" হিসেবে অনুভব করেছিলেন। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি পরীক্ষায় বসেন এবং সফল হন।

🎖️ অবশেষে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমিতে যোগদান করেন এবং এক বছরের প্রশিক্ষণ শেষে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। এটি ছিল তাঁর মায়ের বহুদিনের স্বপ্নপূরণ।