🛩️ কলকাতা বিমানবন্দরের এপ্রন এলাকা, যেখানে বিমান পার্ক করা হয়, লোড-আনলোড করা হয়, জ্বালানি ভরা হয় এবং পরিষেবা দেওয়া হয়, সেটি টার্মিনাল ভবনের দক্ষিণ দিকে ৩৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বড় সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুত। এই প্রকল্পটি বিমানবন্দরের এয়ারসাইড (airside) ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
🚧 এই প্রকল্পটি আগামী তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এটি বিমান পার্কিং, পরিষেবা এবং গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিং (ground-handling) কার্যক্রমের জন্য অতিরিক্ত অপারেশনাল (operational) স্থান তৈরি করবে।
📈 এই সম্প্রসারণ এমন সময়ে হচ্ছে যখন কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রী চলাচল প্রাক-মহামারী স্তরে ফিরে এসেছে এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমানবন্দরটি ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে প্রায় ১.১ কোটি যাত্রী পরিচালনা করেছে, যা ২০১৯ সালের অনুরূপ সংখ্যার প্রায় সমান, এবং পুরো বছরে প্রায় ২.২ কোটি যাত্রী পরিচালনা করেছে।
🏢 এপ্রন প্রকল্পটি বিমানবন্দরের ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি সিরিজের অংশ। ইন্টিগ্রেটেড টার্মিনালের (integrated terminal) বার্ষিক যাত্রী পরিচালনার ক্ষমতা সম্প্রতি ২.৬ কোটি থেকে ২.৮ কোটি করা হয়েছে।
✈️ এছাড়াও, ডোমেস্টিক ডিপার্চার (domestic departure) এলাকা ৯৯৩ বর্গমিটার এবং আন্তর্জাতিক ডিপার্চার (international departure) বিভাগে আরও ৩০০ বর্গমিটার বাড়ানো হয়েছে। নতুন ট্যাক্সিওয়ে (taxiways) এবং র্যাপিড-এক্সিট করিডোর (rapid-exit corridors) যুক্ত করার ফলে রানওয়ের (runway) হ্যান্ডলিং (handling) ক্ষমতা প্রতি ঘন্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ ফ্লাইটে উন্নীত হয়েছে।
🗺️ বিমানবন্দরের বৃহত্তর পুনর্গঠন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩২-৩৩ সালের মধ্যে বার্ষিক যাত্রী পরিচালনার ক্ষমতা প্রায় ৪.৫ কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই পরিকল্পনায় বিদ্যমান টার্মিনাল এবং বিমান পার্কিং পরিকাঠামোর বড় ধরনের পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত।
🅿️ বিমান পার্কিং বে (bay) ৭৩ থেকে বাড়িয়ে ১৩২ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুরনো ডোমেস্টিক টার্মিনাল (domestic terminal) ভেঙে ২১টি অ্যারোব্রিজ (aerobridges) সহ একটি নতুন U-আকৃতির আন্তর্জাতিক টার্মিনাল (international terminal) তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে।



