শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসুস্থতা জয় করে JEE Advanced-এ সাফল্য বিহারের গুঞ্জন কুমারের, IIT দিল্লি-তে কম্পিউটার সায়েন্সে সুযোগ! 🌟

বিহারের সীতামঢ়ীর গুঞ্জন কুমার ফুসফুসের সমস্যা (collapsed lung) এবং ৭০ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও JEE Advanced 2026-এ OBC ক্যাটাগরিতে ৫০তম স্থান অর্জন করেছেন। মায়ের অক্লান্ত সমর্থন ও নোট তৈরির সাহায্যে তিনি IIT দিল্লি-তে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তার এই অদম্য জেদ ও সাফল্যের গল্প দেশজুড়ে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসুস্থতা জয় করে JEE Advanced-এ সাফল্য বিহারের গুঞ্জন কুমারের, IIT দিল্লি-তে কম্পিউটার সায়েন্সে সুযোগ! 🌟

✨ কোটা-তে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি সাফল্যের গল্পের পেছনে থাকে নিরলস প্রচেষ্টা, ত্যাগ এবং সংকল্পের এক দীর্ঘ যাত্রা। এই বছর, কোটা থেকে JEE Advanced উত্তীর্ণ এক শিক্ষার্থীর সাফল্যের গল্পে এক মায়ের অসাধারণ অবদান তুলে ধরা হয়েছে, যিনি আক্ষরিক অর্থেই তার ছেলের সহপাঠী হয়েছিলেন।

📚 বিহারের সীতামঢ়ী জেলার বাসিন্দা গুঞ্জন কুমার, IIT-তে (Indian Institutes of Technology) প্রবেশের প্রবেশদ্বার JEE Advanced-এর প্রস্তুতির জন্য ২০২৩ সালে কোটা-তে এসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার ঠিক আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা তার জীবনে এক কঠিন মোড় নিয়ে আসে।

🩺 গুঞ্জন নিউমোথোরাক্স (pneumothorax) বা ফুসফুস চুপসে যাওয়ার (collapsed lung) সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রায় তিন মাস শয্যাশায়ী ছিলেন, যার ফলে তিনি ক্লাস করতে পারেননি। এই কঠিন সময়ে তার মা এগিয়ে আসেন। তার পড়াশোনা যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে মা নিজেই অনলাইন লেকচার ভিডিওগুলি দেখতেন এবং একই সাথে ক্লাসের বিস্তারিত নোট তৈরি করতেন।

👩‍🏫 বিএড (BEd) ডিগ্রিধারী গৃহিণী গুঞ্জা, বহু বছর পর আবার পড়াশোনা শুরু করেন তার ছেলের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করার জন্য। গুঞ্জন গুরুতর দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের (vision impairment) সমস্যাতেও ভুগছেন। ৭০ শতাংশের বেশি দৃষ্টিশক্তি হারানোর কারণে তিনি ৯.৫ পাওয়ারের চশমা পরেন।

🎯 এই সমস্ত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, গুঞ্জন JEE Main-এ ৯১.৮ পার্সেন্টাইল অর্জন করেন। JEE Advanced-এ তিনি PWD OBC ক্যাটাগরিতে ৫০তম স্থান এবং কমন PWD Rank ১২০ অর্জন করেন। এখন তিনি IIT দিল্লি-তে কম্পিউটার সায়েন্স (Computer Science) শাখায় ভর্তি হয়ে একজন IITian হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চলেছেন। তার বাবা রাজনারায়ণ প্রসাদ বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (BRO)-এর একজন প্রকৌশলী (engineer)। তার ছোট ভাইও বর্তমানে কোটা-তে JEE-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।