ভারতে আসছে নতুন AI আইন, শীঘ্রই পরামর্শপত্র প্রকাশ করবে কেন্দ্র: অশ্বিনী বৈষ্ণব 🤖

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘোষণা করেছেন যে ভারত শীঘ্রই একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আইন পেতে চলেছে এবং এ বিষয়ে একটি পরামর্শপত্র (consultation paper) আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। তিনি জানান, AI থেকে সৃষ্ট ঝুঁকি এখন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে যার জন্য আইনের প্রয়োজন।

ভারতে আসছে নতুন AI আইন, শীঘ্রই পরামর্শপত্র প্রকাশ করবে কেন্দ্র: অশ্বিনী বৈষ্ণব 🤖

🗣️ কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে কেন্দ্র আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI) সংক্রান্ত একটি নতুন আইনের জন্য একটি পরামর্শপত্র (consultation paper) জারি করবে। তিনি ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে নয়াদিল্লিতে NDTV ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ এই ঘোষণা করেন।

⚠️ মন্ত্রী বলেন, AI থেকে উদ্ভূত ঝুঁকিগুলি এখন এমন একটি 'থ্রেশহোল্ড' অতিক্রম করেছে যার জন্য আইন প্রণয়ন প্রয়োজন। প্রস্তাবিত এই আইন AI-এর ক্ষতিকারক দিকগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং প্রযুক্তির উপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।

📝 এই পরামর্শপত্রটি একটি বিধিবদ্ধ আইনের দিকে প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ হবে। সরকার এই কাগজের মাধ্যমে সমাজ, নাগরিক, শিল্প এবং অন্যান্য অংশীদারদের কাছ থেকে মতামত চাইবে।

📈 বৈষ্ণব উল্লেখ করেন যে ব্যাংকিং, উৎপাদন, পরিষেবা, অর্থ এবং বীমার মতো বিভিন্ন শিল্পে AI অত্যন্ত দ্রুততার সাথে গৃহীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, AI কী ভালো আনতে পারে এবং কী ক্ষতি করতে পারে, উভয় সম্পর্কেই একটি ভালো ধারণা রয়েছে।

🔄 সরকারের এই অবস্থান একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে চিহ্নিত করে, কারণ এর আগে আইটি মন্ত্রকের ইন্ডিয়া AI গভর্নেন্স গাইডলাইনস (৫ নভেম্বর, ২০২৫-এ প্রকাশিত) একটি স্বতন্ত্র AI আইনের পরিবর্তে বিদ্যমান আইনগুলির সংশোধনের কথা বলেছিল। এমনকি ডিসেম্বর ২০২৫-এ মন্ত্রকের সচিব এস কৃষ্ণান বলেছিলেন যে কোনও ডেডিকেটেড AI আইনের পরিকল্পনা নেই, এবং ২০২৩ সালের একটি সংসদীয় উত্তরে বৈষ্ণবের অধীনে সরকার AI-এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও আইন বিবেচনা করছে না বলেও জানানো হয়েছিল।

⚖️ বৈষ্ণব AI নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে দুটি বৈশ্বিক চিন্তাধারার কথা উল্লেখ করেন: একটি হলো প্রযুক্তি যথেষ্ট বিকশিত হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়, এবং অন্যটি (ইউরোপীয় পদ্ধতি) হলো প্রতিটি উদ্ভাবনকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা, যা তিনি বলেন বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে ভারতের প্রবণতা সবসময় উদ্ভাবনের দিকেই বেশি, তবে একই সাথে রাষ্ট্রকে অবশ্যই নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

📱 মন্ত্রী আরও জানান যে ভারতীয় নকশার, ভারতীয় উৎপাদিত, ভারতীয় ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ২০২৩ সালের ২৩ অক্টোবরের মধ্যে প্রস্তুত হবে এবং প্রথম 'মেড-ইন-ইন্ডিয়া' চিপও ২০২৮ সালের মধ্যে তৈরি হবে।