কলকাতা প্যান্ডেল পদপিষ্টের পর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী 🚨

কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গা পূজা প্যান্ডেলে পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।

কলকাতা প্যান্ডেল পদপিষ্টের পর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী 🚨

🚨 কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গা পূজা প্যান্ডেলে পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু এবং ২৫ জন আহত হওয়ার একদিন পর রবিবার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভবানী ভবনে (Bhawani Bhawan) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।

👥 এই বৈঠকে মুখ্যসচিব (Chief Secretary), স্বরাষ্ট্রসচিব (Home Secretary), ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (DIG) অফ পুলিশ এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

🚑 এর আগে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্যমন্ত্রী অধিকারী কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে (Apollo Hospital) আহতদের দেখতে যান। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর.এন. রবিও (RN Ravi) আহতদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের সুস্থতা ও চিকিৎসার খোঁজ নেন।

⚖️ কলকাতা পুলিশ এই ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গা পূজা কমিটির সম্পাদক ও সহ-সভাপতিও রয়েছেন।

💰 পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিটি মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং একটি সরকারি চাকরি (Group D government job) দেওয়ার ঘোষণা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

🔍 এই ঘটনার দায়বদ্ধতা নির্ধারণের জন্য একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) তদন্ত শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি (fact-team) গঠনের কথাও জানিয়েছেন।

🚧 এদিকে, কলকাতার কিছু অংশে (বউবাজার পুলিশ স্টেশন এলাকার অধীনে) ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের জন্য ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS), ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা (Section 163) জারি করা হয়েছে। এই আদেশে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির বেআইনি সমাবেশ, লাঠি, মারাত্মক বা অন্যান্য বিপজ্জনক অস্ত্র বহন এবং জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে এমন কোনো কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

🏛️ মুখ্যমন্ত্রী অধিকারী রাজ্য জুড়ে প্রধান দুর্গা পূজা প্যান্ডেলগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা করেছেন। এই কমিটি ভিড় ব্যবস্থাপনা (crowd management), বেরোনোর পথ (exit routes) এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা (structural safety) পর্যালোচনা করবে এবং এমন ঘটনা যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা সুপারিশ করবে।