🌧️ সিকিমে অবিরাম ভারী বৃষ্টির কারণে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক ভূমিধস হয়েছে, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক পর্যন্ত সংযোগকারী লাইফলাইন NH-10 সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
🌊 একটানা বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভুটানে হঠাৎ বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
🚧 বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত বড় বড় পাথর ও মাটি নিচে পড়ার কারণে NH-10 এর 32 কিলোমিটার এলাকা (বিশেষত 20 মাইল এলাকা) অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ভূমিধসের কারণে রাস্তার একটি বড় অংশ কাদা ও ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়েছে, যার ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
⚠️ স্থানীয় যাত্রী এবং সিকিম ভ্রমণে আসা পর্যটক উভয়ই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে, সিকিম প্রশাসন পর্যটক এবং সাধারণ মানুষকে ভূমিধস-আক্রান্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
🛣️ সিঙ্গতাম-রাংপো রুটেও ভূমিধসের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, যেখানে ধ্বংসাবশেষ এবং পাথর জমে আছে। পশ্চিম সিকিমের ইউকসোম-তাশিডিং বিধানসভা কেন্দ্রের রিম্বি গ্রামেও নতুন করে ভূমিধস হয়েছে, যেখানে প্রচুর পরিমাণে কাদা, পাথর এবং ধ্বংসাবশেষ নিচে নেমে এসেছে। রিম্বি হয়ে খেচুপেরি থেকে গ্যালশিং যাওয়ার রাস্তাও অনেক জায়গায় মাটি ও পাথর পড়ার কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, 32 কিলোমিটার বারদাং রোডও বৃষ্টি ও জল জমার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
💧 পাহাড়ী অঞ্চলে একটানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদী এবং এর উপনদীগুলির জলস্তর আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে নিম্নভূমি এলাকাগুলিতেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। ভুটান ন্যাশনাল সেন্টার ফর হাইড্রোলজি অ্যান্ড মেটিওরোলজি (Bhutan National Centre for Hydrology and Meteorology) হঠাৎ বন্যা এবং ভূমিধসের সতর্কতা জারি করেছে। উত্তর ভুটানের তোরসা এবং রায়ডাক নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যার প্রভাব উত্তরবঙ্গেও পড়তে পারে।
🛠️ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলি রাস্তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে।



