মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলার জাম্বুলঘাট সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক আবাসিক আশ্রম স্কুলে প্রায় ৫০০ ছাত্রের চুল রাতারাতি কেটে দেওয়া হয়েছে। 💇 এই ঘটনার পর অর্ধেক কামানো মাথার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল (viral) হয়ে যায়, যা ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীদের মর্যাদা, সম্মতি ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কিছু প্রতিবেদনে ৮২ জন ছাত্রের চুল কাটার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার বিকেল ৩টা নাগাদ স্কুলের কর্তৃপক্ষ খুশকি (dandruff) এবং মাথার ত্বকে চুলকানির (scalp itching) উদ্বেগের কারণে ছাত্রছাত্রীদের চুল কাটার সিদ্ধান্ত নেয়। ✂️ তবে, ট্রিমারের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে কিছু ছাত্রের মাথা আংশিকভাবে কামানো অবস্থায় থেকে যায়।
অর্ধেক কামানো মাথার ছবিগুলি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 📸 এরপর, স্কুল কর্তৃপক্ষ শনিবার গভীর রাতে আবার চুল কাটা শুরু করে এবং রবিবার ভোর ৪টা নাগাদ এই প্রক্রিয়া শেষ করে। প্রায় ৫০০ ছাত্রের চুল কাটা হয়।
এই ঘটনা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। 😡 অভিভাবকরা প্রশ্ন তুলেছেন যে কে এই নির্দেশ দিয়েছে, অভিভাবকদের জানানো হয়েছিল কিনা এবং ছাত্রছাত্রীদের সম্মতি নেওয়া হয়েছিল কিনা।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, কর্মকর্তারা স্কুলকে সেদিনই ছাত্রছাত্রীদের চুল ঠিক করার নির্দেশ দেন। 🧑🏫 স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট দাবি করেন যে এটি স্বাস্থ্যবিধি (hygiene) এবং বৃষ্টির কারণে বিলম্বের জন্য করা হয়েছিল।
তবে, স্কুলের অধ্যক্ষ এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হননি এবং সুপারিনটেনডেন্টকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ (show-cause notice) জারি করেছেন। 📝 অভিভাবকরা শুধু নোটিশে সন্তুষ্ট নন; তারা একটি সঠিক তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, কারণ তাদের মতে, এই ধরনের শাস্তি স্কুলে হওয়া উচিত নয়।



