গোরক্ষপুর-শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে বিলম্ব: মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও জমি অধিগ্রহণ ঝুঁকিতে! 🚧

গোরক্ষপুর-শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন এখনও বাকি, যার ফলে বিহারে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজ্য সরকার দ্রুত অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

গোরক্ষপুর-শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে বিলম্ব: মন্ত্রিসভার অনুমোদন ও জমি অধিগ্রহণ ঝুঁকিতে! 🚧

🛣️ প্রস্তাবিত গোরক্ষপুর-শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বিহারে জমি অধিগ্রহণের পরবর্তী ধাপকে বিলম্বিত করতে পারে বলে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিহারের সড়ক নির্মাণ বিভাগ (Road Construction Department) পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে এই প্রকল্পের দ্রুত অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

🗺️ প্রস্তাবিত ৫৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ করিডোরের প্রায় ৪১৭ কিলোমিটার বিহারের আটটি জেলার মধ্যে দিয়ে যাবে। এটিকে চার লেন থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার একটি পৃথক প্রস্তাবও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

⏳ গোরক্ষপুর-শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ের জন্য তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকারগুলি হল প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় অনুমোদন নিশ্চিত করা, বিহারের ছয় লেনের প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

⚠️ রাজ্য সরকার সতর্ক করেছে যে এই বিলম্বের কারণে বিজ্ঞপ্তির কিছু অংশ পুনরায় জারি করার প্রয়োজন হতে পারে, যা প্রকল্পের অগ্রগতিকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রযোজ্য পদ্ধতি অনুসারে, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির এক বছরের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ শুরু করতে হবে।

📜 যদি ২০২৬ সালের শেষের মধ্যে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে না যায়, তবে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করার প্রয়োজন হতে পারে। জমি অধিগ্রহণের আগে, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের জানানো হয় যে তাদের সম্পত্তি প্রস্তাবিত প্রকল্পের এলাকার মধ্যে পড়ছে এবং তা অধিগ্রহণের আওতায় আসতে পারে।

🚧 বকেয়া অনুমোদন এবং অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ সময়সূচী অনিশ্চিত থাকবে। প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত এই সমস্যাগুলির সমাধান করে তার উপর।