🙏 ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী উৎসব ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে, যা অনন্ত চতুর্দশীর দিনে গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে। এই দশ দিন ধরে চলা উৎসব ভগবান গণেশের জন্মোৎসবকে কেন্দ্র করে পালিত হয়, যিনি জ্ঞান, সমৃদ্ধি এবং বাধা দূর করার দেবতা হিসেবে পূজিত হন।
✨ সারা ভারত জুড়ে এই উৎসবটি প্রাণবন্ত মণ্ডপ, ভক্তিগীতি, আরতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সুস্বাদু খাবারের আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হয়। মহারাষ্ট্র, বিশেষ করে মুম্বাই এবং পুনে, তাদের বিশাল গণেশোৎসব উদযাপনের জন্য বিখ্যাত, যেখানে লালবাগচা রাজা এবং শ্রীমন্ত দগডুশেঠ হালওয়াই গণপতির মতো আইকনিক উদযাপনগুলি প্রচুর ভিড় আকর্ষণ করে।
🕌 তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে খয়রাবাদ গণেশ তার বিশাল প্রতিমার জন্য পরিচিত, যা উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। মহারাষ্ট্রের অষ্টবিনায়ক সার্কিট, যা আটটি পবিত্র গণেশ মন্দিরের তীর্থযাত্রা, এবং পুদুচেরির মানকুলা বিনায়ক মন্দিরও উল্লেখযোগ্য উদযাপনের স্থান।
📱 এই উৎসবে তরুণ প্রজন্ম ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রিল এবং ভিডিওর মাধ্যমে তাদের উদযাপনগুলি ভাগ করে নিচ্ছে, যা উৎসবের একটি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল উপস্থিতি নির্দেশ করে।
📅 ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থীর মূল তিথি ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল প্রায় ৭:০৬ মিনিটে শুরু হবে এবং ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল প্রায় ৭:৪৪ মিনিটে শেষ হবে। গণপতি স্থাপনার জন্য শুভ সময় ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১:২০ থেকে দুপুর ১:৪৮ পর্যন্ত।
🎉 এই উৎসবটি কেবল ধর্মীয় নয়, এটি বিশ্বাস, পরিবার, শিল্প, সঙ্গীত, খাদ্য এবং সম্প্রদায়ের ঐক্যের এক উদযাপন। মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী গণপতি উদযাপন থেকে শুরু করে হায়দ্রাবাদের বিশাল প্রতিমা পর্যন্ত, এই উৎসব ভ্রমণকারীদের ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
🎊 গণেশ বিসর্জন ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভক্তরা নাচ, গান এবং প্রার্থনার মাধ্যমে শোভাযাত্রা করে প্রতিমাগুলিকে জলে বিসর্জন দেবেন। এই বিসর্জন পর্বটি শারীরিক রূপের অস্থায়ী প্রকৃতি এবং ভগবান গণেশের তাঁর ঐশ্বরিক আবাসে ফিরে যাওয়ার প্রতীক।



