🚧 শিলিগুড়িতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ফুলবাড়ি রেলগেট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র প্রতিবাদে নেমেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই গেট বন্ধের কারণে নিত্যযাত্রীদের অসুবিধা হবে এবং জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হবে।
🚨 শনিবার রাত ১১টা নাগাদ বিশাল পুলিশি পাহারায় গেট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। রবিবার সকালে নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে (Northeast Frontier Railway) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায় যে, সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য লেভেল ক্রসিং (level crossing) স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং যাত্রীদের রোড আন্ডার ব্রিজ (Road Under Bridge) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
🌧️ রেলওয়েতে ডবল লাইনের কাজও শুরু হয়েছে। তবে, বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জানিয়েছেন যে, গেট বন্ধের ফলে ফুলবাড়িতে পৌঁছাতে তাঁদের দীর্ঘ পথ ঘুরতে হবে। তাঁরা আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, ফায়ার ইঞ্জিন (fire engine) এবং স্কুল বাসগুলির (school bus) জন্য আন্ডারপাস (underpass) ব্যবহার করা কঠিন হবে।
🗣️ এলাকার এক বাসিন্দা রাজু দাস বলেন, "আগুনের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে, জরুরি যানবাহনগুলিকে ফুলবাড়িতে পৌঁছাতে থানা মোড়, ভেনাস মোড়, কোর্ট মোড়, বাগরাকোট হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরতে হবে। এই দেরির ফলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে। এমনকি স্কুল বাস এবং পথচারীরাও আন্ডারপাস ব্যবহার করতে পারবে না।" স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বর্ষাকালে আন্ডারপাসটি জলমগ্ন হয়ে পড়ে, যা ছোট ও বড় উভয় ধরনের যানবাহনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
📢 রবিবার সকালে বন্ধ রেলগেটের সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। সিপিআই(এম) (CPI(M)) নেতা ও কর্মীরাও রেলওয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিক্ষোভে যোগ দেন।
🗣️ সিপিআই(এম) নেতা শারদেন্দু চক্রবর্তী পর্যটন মন্ত্রী এবং শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, কারণ রেলগেটটি যে ওয়ার্ডে অবস্থিত, সেখানেই তিনি থাকেন। চক্রবর্তী বলেন, "ঘোষ যখন সিপিআই(এম)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তখন তিনি রেলগেট নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপিতে (BJP) যোগ দিয়ে মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি নীরব রয়েছেন।"
🙏 বিক্ষোভকারীরা রেলওয়ের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে রেলগেটটি পুনরায় খোলার দাবি জানিয়েছেন। তবে, পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বর্তমানে শহরের বাইরে থাকায় তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



