📰 মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোচবিহারকে একটি প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা উন্মোচন করেছেন। এই পরিকল্পনার আওতায়, মদনমোহন মন্দিরের আশেপাশে আবাসন ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে।
🌉 তিনি বন্ধ চা বাগানগুলি পুনরায় চালু করার এবং চা শ্রমিকদের জন্য ২০% বোনাস বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও, নতুন সেতু নির্মাণ এবং বিদ্যমান সেতুগুলির সংস্কারের কাজও করা হবে।
✈️ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে কোচবিহার বিমানবন্দরকে উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এই বিষয়ে ২৮শে সেপ্টেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কোচবিহারের ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনের প্রসার ঘটানো সম্ভব।
💰 কোচবিহারের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য তহবিলের অভাব হবে না বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি ২ কোটি টাকার প্রাথমিক প্রকল্প রিপোর্টের বাইরে একটি বৃহত্তর উন্নয়ন প্যাকেজ গ্রহণের জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
🗓️ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি ৯ই মে, ২০২৬ তারিখে শপথ নিয়েছি। ৯ই মে, ২০২৭ সালের মধ্যে কোচবিহারের মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
🚧 জমি চিহ্নিতকরণ, বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR) তৈরি এবং অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর কর্তৃক জারি করা প্রথম টেন্ডারে কোচবিহারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বরাদ্দ করা হয়েছে।
🤝 মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা রাজ্যে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসছেন এবং তারা রাজ্যের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবেন।
🚧 তিনি আরও বলেন যে, সীমান্ত পরিকাঠামো এবং বেড়া নির্মাণের জন্য প্রায় ২১০ একর জমি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে (BSF) প্রদান করা হয়েছে।



