🚨 কলকাতার কাছে একটি পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে দুর্গাপূজা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং বিপজ্জনক নদী এলাকাগুলিতে প্রবেশ সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে।
📅 রবিবার রাজ্য সেচ বিভাগের প্রধান সচিব এবং জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও দার্জিলিংয়ের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে একটি ভার্চুয়াল বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর বিসর্জন ঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে।
📹 নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী, প্রতিটি বিসর্জন ঘাটে তার আকার ও বিন্যাস অনুযায়ী চারটি থেকে দশটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এই ক্যামেরাগুলি প্রবেশদ্বার, চারপাশের এলাকা এবং নির্দিষ্ট বিসর্জন স্থানগুলি পর্যবেক্ষণ করবে। স্থানীয় থানা, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক, বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা ল্যাপটপ ও মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করবেন।
📍 শুধুমাত্র সরকারিভাবে নির্ধারিত ঘাটগুলিতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার অনুমতি থাকবে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পূজা আয়োজকদের তাদের জন্য নির্ধারিত স্থান সম্পর্কে অবহিত করবেন।
🚫 বিসর্জন নির্ধারিত ঘাট থেকে হবে, তবে সাধারণ মানুষকে নদীতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যেখানে জল গভীর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে ব্যারিকেড স্থাপন করা হবে। ব্লক কর্তৃপক্ষ এবং পৌরসভা বিপজ্জনক নদী তীরবর্তী এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেড ব্যবহার করবে এবং কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে বিসর্জনস্থলের কাছাকাছি জলের গভীরতা মূল্যায়ন করবেন।
🌊 যেখানে হঠাৎ গভীরতা বৃদ্ধি বা বিপজ্জনক পরিস্থিতি চিহ্নিত করা হবে, সেখানে প্রবেশ সীমিত করা হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, বিধিনিষেধ কার্যকর করা এবং ঘাটে নিরাপত্তা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশের উপর থাকবে। এই ব্যবস্থাগুলি উত্তরবঙ্গে নদীর দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ঝুঁকি মোকাবিলা করার জন্যও তৈরি করা হয়েছে।



