কানপুরের সরকারি হাসপাতালে চালক রোগীর চিকিৎসা ও ওষুধ লিখছেন, ভাইরাল ভিডিওতে তদন্তের দাবি! 🚨

উত্তরপ্রদেশের কানপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে এক চালককে রোগীদের পরীক্ষা করতে এবং ওষুধ লিখে দিতে দেখা গেছে, যার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তদন্তের দাবি উঠেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

কানপুরের সরকারি হাসপাতালে চালক রোগীর চিকিৎসা ও ওষুধ লিখছেন, ভাইরাল ভিডিওতে তদন্তের দাবি! 🚨

📹 উত্তরপ্রদেশের কানপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে একজন চালককে রোগীদের পরীক্ষা করতে এবং ওষুধ লিখে দিতে দেখা গেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

👨‍⚕️ ভিডিওতে দেখা গেছে, কানপুরের কানশি রাম কম্বাইন্ড হাসপাতাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টার (Kanshi Ram Combined Hospital and Trauma Center)-এর আউটডোর পেশেন্ট ডিপার্টমেন্ট (OPD)-এ একজন চালক রোগীদের লক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন এবং প্রেসক্রিপশন লিখছেন। জানা গেছে, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার (Emergency Medical Officer) ডাঃ রামকেশের অনুপস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে, যিনি আদালতের কাজে বাইরে গিয়েছিলেন।

💊 চালক, যার নাম দেব বলে জানা গেছে, রোগীদের পেটে ব্যথা বা অন্যান্য অস্বস্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিলেন এবং তারপর ওষুধ লিখে দিচ্ছিলেন। ভিডিওতে দেখা রোগীদের নাকি হাসপাতালের বাইরে থেকে ওষুধ কেনার কথাও বলা হয়েছিল।

🚨 ভিডিওটি অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর হাসপাতাল প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ রামকেশের কাছে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কানশিরাম হাসপাতালের CMS (Chief Medical Superintendent) ডাঃ পীযূষ মিশ্র জানিয়েছেন যে, যদি চিকিৎসক সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

⚠️ ডাঃ মিশ্র আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে যদি কোনও বহিরাগতকে হাসপাতালে বা OPD-তে চিকিৎসকের পরিবর্তে ওষুধ লিখতে দেখা যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে FIR (First Information Report) দায়ের করা সহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

🗣️ ডাঃ রামকেশ পরে স্বীকার করেছেন যে ভিডিওতে তার চালককে প্রেসক্রিপশন লিখতে দেখা গেছে। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে তিনি আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়েছিলেন এবং তার চালক একজন পরিচিত রোগীর জন্য ওষুধ লিখেছিলেন। ডাঃ রামকেশ আরও বলেছেন যে তিনি চালককে তার নিজের ইচ্ছায় কাজ করার জন্য সরিয়ে দিয়েছেন।