🗣️ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং শুক্রবার লখনউতে একটি সংবাদ সম্মেলনে INDIA জোটের CEC (Chief Election Commissioner) বিরোধী বিক্ষোভের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে কংগ্রেস এবং তার মিত্ররা "অরাজকতা" (anarchy) সৃষ্টি করে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র করছে এবং বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া "শাসন পরিবর্তন" (regime change)-এর মতো পরিস্থিতি চাইছে।
📢 সিং বলেছেন যে নির্বাচনী সংস্কার (electoral reforms) এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে প্রতিবাদগুলি আসলে অস্থিরতা তৈরি করে ক্ষমতা দখলের একটি অজুহাত মাত্র। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে ভারতের সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে (constitutional bodies) রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য বলি দেওয়া যায় না।
🤔 রাজনাথ সিং রাহুল গান্ধীকে "বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির রাজনীতি" (politics of disruption) পরিহার করে জনগণের রায় (public mandate) কে সম্মান জানাতে এবং নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আত্ম-বিশ্লেষণ (self-introspection) করতে আহ্বান জানিয়েছেন।
🤝 প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে কংগ্রেস এবং তার মিত্ররা যুবকদের "বিশৃঙ্খলার রাজনীতি" (politics of disorder)-এর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে কিছু বিক্ষোভকারী প্রকাশ্যে বাংলাদেশের ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার কথা বলছে এবং সরকার উৎখাতের আহ্বান জানাচ্ছে।
📜 সিং কংগ্রেস পার্টির "অন্ধকার অধ্যায়গুলি" তুলে ধরেছেন, যেখানে চারটি প্রধান ঐতিহাসিক অন্যায় (historical transgressions) উল্লেখ করা হয়েছে: ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধী কর্তৃক আরোপিত জরুরি অবস্থা (Emergency), ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী সহিংসতা, ১৯৯০ সালে রাম ভক্ত ও কর সেবকদের হত্যা এবং সংবিধান (Constitution) ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের উপর আক্রমণ।
🗳️ তিনি রাহুল গান্ধীর "ভোট চুরি" (vote chori) অভিযোগকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন, যুক্তি দিয়ে বলেছেন যে ভোটার আইডি কার্ড (voter ID cards) চালু হওয়ার পর থেকে কংগ্রেস লোকসভা (Lok Sabha)-য় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
💥 রাজনাথ সিং রাহুল গান্ধীর "হাইড্রোজেন বোমা" (hydrogen bomb) সংক্রান্ত দাবিকে উপহাস করে বলেছেন যে এটি "একটি দীপাবলির আতশবাজিও" প্রমাণিত হয়নি।
🇮🇳 সিং আরও বলেছেন যে গণতন্ত্রে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সবার আছে, তবে "অরাজকতা" (anarchy) ছড়ানো কারো অধিকার নয়। তিনি বিশ্বাস করেন যে আজকের তরুণ প্রজন্ম, Gen Z, অত্যন্ত সচেতন এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত, এবং তারা সাময়িকভাবে বিভ্রান্ত হলেও জাতি গঠনের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হতে পারে না।



