ভারত-ইউকে সিইটিএ চুক্তি: বাংলার শ্রম-নিবিড় শিল্পে রপ্তানি বৃদ্ধির আশা 🤝

ভারত ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে স্বাক্ষরিত কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্ট (CETA) কার্যকর হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের শ্রম-নিবিড় শিল্পগুলিতে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। এই চুক্তি রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারত-ইউকে সিইটিএ চুক্তি: বাংলার শ্রম-নিবিড় শিল্পে রপ্তানি বৃদ্ধির আশা 🤝

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত-ইউকে সিইটিএ (CETA) চুক্তিকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী, বিশেষ করে শ্রম-নিবিড় ক্ষেত্রগুলিতে। এই চুক্তির ফলে যুক্তরাজ্যের বাজারে রাজ্যের পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। 🇬🇧

রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায় বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "এই চুক্তি রাজ্যের রপ্তানিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং আমরা কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলার পণ্যের ব্রিটিশ বাজারে প্রবেশাধিকার আরও বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।" মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে রাজ্যের প্রথম রপ্তানি চালানের সূচনা করার পর একথা বলেন। 📦

বুধবার যে পণ্যগুলি পশ্চিমবঙ্গ থেকে পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে চা, আম, পান পাতা এবং গয়না। জানা গেছে, এই চালানে প্রায় ৫৫০ কেজি দার্জিলিং চা অন্তর্ভুক্ত ছিল। 🍵🥭

কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তির আওতায় ভারত যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রায় ৯৯ শতাংশ পণ্যের উপর শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, যা প্রায় ১০০ শতাংশ বাণিজ্য মূল্যকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলে রাজ্যের চামড়া, পাটের মতো শ্রম-নিবিড় শিল্পগুলি বিশেষভাবে উপকৃত হবে। পূর্বে এই পণ্যগুলির উপর যুক্তরাজ্যে ৮-১৬% পর্যন্ত আমদানি শুল্ক ছিল, যা এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। 💰

মন্ত্রী আরও বলেন, "চামড়া, পাট এবং গয়না রাজ্যের বৃহত্তম কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী ক্ষেত্রগুলির মধ্যে অন্যতম। সিইটিএ (CETA)-র অধীনে শুল্ক ছাড়ের ফলে রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়বে এবং আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।" 💼

এই চুক্তির ফলে ভারতের রপ্তানি যুক্তরাজ্যের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং এটি ভারতের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে। 📈