🛕 অসম এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার যৌথভাবে প্রতিবেশী রাজ্যের কোচবিহার জেলার মধুপুরে বৈষ্ণব সাধক শ্রীমন্ত শংকরদেবের 'সমাধি' (স্মারক) স্থলকে একটি বিশাল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই ঘোষণা করেছেন।
🗣️ কোচবিহারের মধুপুরে, যেখানে শংকরদেব তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলি কাটিয়েছিলেন, সেই স্থান পরিদর্শনের সময় শর্মা অভিযোগ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে মধুপুর সত্র (বৈষ্ণব মঠ) পরিদর্শনের সুযোগ দেননি এবং বিষয়টি বারবার বিলম্বিত করেছেন।
🏞️ শর্মা বলেন, "আমরা যেমন মধ্য অসমে তাঁর জন্মস্থান বটদ্রবা (Batadrava) উন্নয়ন করেছি, ঠিক তেমনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় মধুপুর সত্রের তাঁর পবিত্র মহাসমাধি স্থলকে একটি বিশাল রূপ দেব।"
🏛️ তিনি আরও বলেন যে, এখন যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে একটি "শক্তিশালী ডাবল-ইঞ্জিন সরকার" (BJP government) রয়েছে, তাই এই পরিকল্পনা সত্যিকারের অংশীদারিত্বে বাস্তবায়িত হবে, যা বটদ্রবা থান (Batadrava Than)-এর আদলে আমাদের চিরন্তন পথপ্রদর্শককে শ্রদ্ধা জানাবে।
🙏 মুখ্যমন্ত্রী শর্মা মধুপুর সত্রকে "আমাদের বৈষ্ণব ঐতিহ্যের প্রাণ" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটিকে একটি বিশাল ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করার জন্য তাদের একটি ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে, যা সত্রের পবিত্রতা রক্ষা করবে এবং তাঁর বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে।
🚧 তিনি আরও জানান যে, সরকার মধুপুর সত্রের বেদখল হওয়া জমি পুনরুদ্ধারের জন্যও প্রচেষ্টা চালাবে। অসম সরকার ইতিমধ্যেই এই উন্নয়নের জন্য ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও এই স্থানটির সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নের জন্য ৩০ কোটি টাকা নিশ্চিত করেছে।
🛣️ শর্মা মধুপুর ধামকে অসমে অবস্থিত বটদ্রবা থান (Batadraba Than)-এর সাথে একটি ধর্মীয় পর্যটন করিডোর (religious tourism corridor) এর মাধ্যমে সংযুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছেন।
📜 শ্রীমন্ত শংকরদেব ছিলেন ১৫শ-১৬শ শতাব্দীর একজন সাধক-পণ্ডিত, সমাজ-ধর্মীয় সংস্কারক, কবি, নাট্যকার এবং অসমের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসে এক বিশাল ব্যক্তিত্ব।



