কলকাতার মিছিলে এক ব্যক্তিকে চড় মারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 😠

কলকাতায় একটি প্রতিবাদ মিছিল চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্যক্তিকে চড় মারেন। গত বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ তারিখে এই ঘটনা ঘটে, যখন তিনি বারুইপুরে এক ১২ বছর বয়সী নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি মিছিলে বিশৃঙ্খলার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

কলকাতার মিছিলে এক ব্যক্তিকে চড় মারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 😠

🪧 গত বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ তারিখে কলকাতার কালীঘাটে একটি প্রতিবাদ মিছিল চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্যক্তিকে চড় মারেন। এই ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি বারুইপুরে এক ১২ বছর বয়সী নাবালিকার ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি মিছিলে বিশৃঙ্খলার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

🗣️ এই মিছিলটি 'কালীঘাট তৃণমূল' (Kalighat Trinamool) বা TMC-এর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-নেতৃত্বাধীন অংশ দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে হাজরা মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন বিজেপি (BJP) কর্মীরা "চোর চোর" স্লোগান দিতে শুরু করে এবং TMC কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করে।

🚨 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে, পুলিশ আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তাদের হ্যান্ড মাইক (hand mics) এবং মাইক্রোফোন (microphones) বাজেয়াপ্ত করেছে, কিন্তু বিজেপি কর্মীদের গোলমাল করার অনুমতি দিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, মহিলা, প্রবীণ নাগরিক এবং তরুণ কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি তার কালীঘাটের বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসেন যখন তিনি জানতে পারেন যে তার আইটি সেল (IT cell) চেয়ারপার্সন (chairperson) বিজেপি সমর্থকদের দ্বারা ঘেরাও এবং আক্রান্ত হয়েছেন।

😡 ভিডিওতে দেখা যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দৃশ্যত হতাশ ছিলেন এবং প্রতিবাদের সময় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে তিনি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন এবং প্রকাশ্যে একজন দলীয় কর্মীকে চড় মারেন। কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে তিনি আরও কয়েকজনকে তাদের পিঠে আঘাত করেছেন।

🗣️ এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) TMC নেত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও এই সমস্ত আচরণ দুর্ভাগ্যজনক, তার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি এখনও মেনে নিতে পারছেন না যে বাংলার মানুষ তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে।"