ফ্যাক্ট চেক: তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে কি ঘৃণাভাষণ মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে? না, ভিডিওটি ২০২৩ সালের! 🧐

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘৃণাভাষণ মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে, এই দাবিটি মিথ্যা; ভিডিওটি ২০২৩ সালের।

ফ্যাক্ট চেক: তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে কি ঘৃণাভাষণ মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে? না, ভিডিওটি ২০২৩ সালের! 🧐

🚨 সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) MP মহুয়া মৈত্রকে ঘৃণাভাষণ (hate speech) মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে, নিউজমিটার (NewsMeter) এর একটি ফ্যাক্ট চেক (Fact Check) অনুযায়ী, এই দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

🎥 ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়। এটি আসলে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের একটি ফুটেজ, যেখানে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) মহুয়া মৈত্র এবং অন্যান্য TMC নেতাদের আটক করেছিল। সেই ভিডিওতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দ্বারা মহুয়া মৈত্রকে কোনো সাম্প্রতিক ঘৃণাভাষণ মামলায় গ্রেপ্তার করার দৃশ্য দেখানো হয়নি।

⚖️ যদিও ভাইরাল ভিডিওর দাবিটি মিথ্যা, তবে মহুয়া মৈত্র একটি ঘৃণাভাষণ মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। গত বুধবার (১৯ আগস্ট, ২০২৬) পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার একটি আদালত (কৃষ্ণনগর আদালত) মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (arrest warrant) জারি করেছে।

🚫 এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে কারণ তিনি বারবার আদালতের সমন (summons) অমান্য করে হাজির হননি। মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি মহিলাদের অপমান করেছেন এবং ঘৃণাভাষণ দিয়েছেন।

🗓️ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার একটি রিপোর্ট ২৮ আগস্টের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট (High Court) তাকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো কঠোর পদক্ষেপ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা (interim protection) দিয়েছিল, তবে শর্ত ছিল যে তাকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে।

🏛️ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কলকাতা হাইকোর্টের এই আদেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি।