🕵️ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) কোচবিহারের দিনহাটা থেকে পাকিস্তান-ভিত্তিক ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর সঙ্গে যোগসাজশের সন্দেহে আরও এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এই গ্রেফতারি এই অঞ্চলে একটি কথিত গুপ্তচরবৃত্তির নেটওয়ার্কের চলমান তদন্তকে আরও তীব্র করেছে।
🌃 অভিযুক্ত মিঠু রহমানকে রবিবার রাতে দিনহাটা-II ব্লকের নাজিরহাটের দিঘলটারি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছিল।
⚖️ আদালত সূত্রে জানা গেছে, রহমানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে তথ্য পাচার এবং জাল নোট প্রচলনে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দিনহাটায় STF-এর ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে এটি সর্বশেষ গ্রেফতারি।
🔗 এর আগে, STF দিনহাটা-II ব্লকের সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে রশিদুলের, নাসিরুদ্দিন এবং সাইফুল নামে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছিল। তাদের পরে আদালতে পেশ করা হয় এবং ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়।
🔍 এই তদন্তের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দিনহাটার থারাইখানা এলাকার আরেক যুবক রশিদুল হককেও গ্রেফতার করা হয়েছিল।
😟 এই ধারাবাহিক গ্রেফতারি দিনহাটায় যথেষ্ট উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে কথিত নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য বিস্তৃতি নিয়ে। STF সূত্র জানিয়েছে যে তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন আরও বেশি লোক জড়িত আছে কিনা এবং অভিযুক্তদের মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য সীমান্ত পেরিয়ে পাচার করা হয়েছিল কিনা।
🕵️♂️ কর্মকর্তারা এই কার্যকলাপের পেছনের উদ্দেশ্য এবং নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য ভৌগোলিক পরিধিও তদন্ত করছেন। তদন্তে বাধা দিতে পারে এমন বিস্তারিত তথ্য কর্মকর্তারা এখনও প্রকাশ করা থেকে বিরত রয়েছেন।
🗣️ এদিকে, কোচবিহার জেলা BJP সভাপতি অভিজিৎ বর্মন এই গ্রেফতারি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন এবং এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
🚨 এই মামলায় আরও একজন গ্রেফতার হওয়ায়, তদন্তকারীরা এখন কথিত নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য অতিরিক্ত সদস্যদের চিহ্নিত করতে এবং এর কার্যকলাপের সম্পূর্ণ পরিধি নির্ধারণের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন।



